নতুন মাত্রা পত্রিকার অনলাইন ভার্সন (পরীক্ষামূলক সম্প্রচার)

 ঢাকা      মঙ্গলবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চৌকিদার সুমন এখন কোটিপতি!

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ২:১১ অপরাহ্ণ , ২২ জুলাই ২০১৯, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 5 years আগে

আরিফুল ইসলাম সুমন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড নতুনহাটি গ্রামে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী ও স্থানীয় ইউপির চৌকিদার সুমন মিয়া। এই বাড়ির ছাদে পর্যন্ত বাহারি ডিজাইনের দামি টাইলস লাগানো হয়েছে। বাড়ির দরজা তৈরিতে ব্যয় করা হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকা। কিন্তু এতো টাকা ব্যয় করে নির্মাণ করা বাড়িতে থাকেন না চৌকিদার সুমন। তিনি উপজেলা সদরে ফ্ল্যাট নিয়ে বসবাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদরের প্রাতঃবাজার এলাকায় ফরিদ মিয়ার বাড়ির দুটি ফ্ল্যাট সুমন ১৫ লক্ষ টাকায় বন্ধক (দায়সুদি) নিয়ে একটিতে তিনি থাকেন, অন্যটি ভাড়া দিয়েছেন।

চুন্টা ইউপির ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহান মিয়া বলেন, চৌকিদার সুমনের বাড়ির ছাদে পর্যন্ত টাইলস লাগানো হয়েছে। শুধু বাড়ি-ই নয়, মেঘনা নদীর স্থানীয় আজবপুর ঘাটে সুমনের তিনটি ষ্টীলের নৌকা রয়েছে। একেকটি নৌকার মূল্য ২০ লক্ষ টাকার বেশি। সেই হিসেবে তিনটি নৌকার মূল্য অন্তত ৬৫ লক্ষ টাকা। সাবেক এই ইউপি সদস্য আরও বলেন, সুমনের বাবা সাত্তার মিয়া এই ওয়ার্ডের-ই চৌকিদার ছিলেন। পারিবারিকভাবে তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলনা। সাত্তার মিয়া চৌকিদারী চাকুরীর পাশাপাশি বয়স্কভাতা ভোগ করতেন। পরে এ নিয়ে অভিযোগ উঠলে তার চাকুরি চলে যায়। পরে পিতার চৌকিদারী চাকুরিটা ছেলে সুমন পায়। তিনি বলেন, সুমন এত টাকা কোথায় পেল ? এই প্রশ্ন শুধু আমার নয়, এখানকার প্রতিটি মানুষের। তবে চৌকিদার সুমনের প্রতি থানাপুলিশের নেক নজর আছে।

এলাকার শফিকুল ইসলাম, আকবর আলী, সোলেমান মিয়া সহ অনেকে জানান, সুমনের চৌকিদারী চাকুরি ছাড়া আর অন্য কোনো পেশা নেই। তার একমাত্র ছোট ভাই রাজন মিয়া, সুমনের কেনা ষ্টীলের নৌকাগুলো দেখভাল করেন। তবে চৌকিদার সুমন জিরো থেকে হিরো হয়েছেন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। আসলে পুলিশের আশির্বাদে আজ সুমন অন্তত দেড় কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক বনে গেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

April 2024
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
আরও পড়ুন
অনুবাদ করুন »