নতুন মাত্রা পত্রিকার অনলাইন ভার্সন (পরীক্ষামূলক সম্প্রচার)

 ঢাকা      মঙ্গলবার ২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জোড়া খুনের আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ণ , ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

সংবাদদাতা: আজ বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জোড়া খুনের মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ মামলার অভিযোগপত্রের আসামীদের গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ করেন। সংবাদ সস্মেলনের আয়োজন করেন নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের জুলাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা নাসিমা বেগম ও তাছলিমা বেগম। সম্পর্কে আপন দুই বোন।
২০১৭সালের ১মার্চ সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে নাছিমার স্বামী ইয়াছিন মিয়া ও তার ছোট বোন তাছলিমার স্বামী খন্দকার এনামুল হককে প্রতিপক্ষের লোকজন হত্যা করে।
লিখিত বক্তব্যে তাছলিমা বেগম বলেন, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা ও ইউপি সদস্য সেন্টু মিয়ার নেতৃত্বে আমার স্বামী ও ভগ্নিপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।
মাসুদ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হালিমের আপন ভাই। মামলা করতে গেলে প্রভাবশালীদের চাপে নবীনগর থানার পুলিশ মামলাটি গ্রহন করেনি। লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২৬জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করি। আদালত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকার মালিবাগ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহা-পরির্দশককে নির্দেশ দেন। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২৮জনকে আসামী করে ২০১৮সালের ২অক্টোবর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে তাদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ২০১৯সালে জানুয়ারি মাসে ইউপি সদস্য সেন্টু মিয়াসহ ১২জন আদালতে আত্মসমর্পন করেন। ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এই ১২জন আসামী উচ্চ আদালত জামিন পান।
তিনি বলেন, অভিযোগপত্রভূক্ত তিন নম্বর আসামী ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানাসহ ১৬জনের বিরুদ্ধে এখনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কাছে অনুরোধ করেছি। কিন্তু পুলিশ প্রভাবশালীদের চাপে কাউকে গ্রেপ্তার করছে না। পুলিশ সুপারকেও অবহিত করেছি। তিনি নবীনগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। অজ্ঞাত কারণে নবীনগর থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেপ্তার করছেন না। সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা বলেন, তারা ডাকাত ছিল। গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে। আমি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছি। নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হালিম বলেন, তারা চিহ্নিত ডাকাত। গ্রেপ্তার করা বা না করার বিষয়ে আমি পুলিশকে কিছু বলিনি। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে অবশ্যই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

July 2024
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
আরও পড়ুন
অনুবাদ করুন »