বিদ্যুত সেবা : স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে যখন সংস্কার চলছে, অনেকে এখানো পুরনো প্রথায়
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ণ , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
বিদ্যুত এর সুবিধা প্রাপ্তি গ্রাহকদের অধিকার। তা বাস্তবায়ন করবে বিদ্যুত বিতরণ বিভাগ। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুত নেই তাই লোড শেডিং , রেশনিং কস্ট হলেও মেনে নিচ্ছে জণগণ। প্রতিদিন একারণে ভোগান্তি অনেক। তবু আশা সংস্কার যখন চলছে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু ফ্যাস্টিস্ট আমলের অনৈতিক প্রথা চালু রেখেছে এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী। বিদ্যূতজনিত সমস্যা হলে সমাধানে তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়া জরুরী কিন্তু অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন দেয়া হলে ফোন রিসিভ হয় দায়িত্ব প্রাপ্ত মনের মতো। ফোন বাজে মন চাইলে ধরেন, নাই চাইলে“ এইমূহুর্ত সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়। সৌভাগ্যে অভিযোগ লেখা হলে অপেক্ষার প্রহর ঘন্টার পর ঘন্টা। পরে মেরামতকারীরা আসেন । অভিযোগকারীর ফোন নম্বর খুজে কাজ করেন। পরে তাদের অপেক্ষা কিছুদিতে হবে সেই আগের সিস্টেমে। অথচ তাদের কাজই হলো মেরামত করা এর বিনিময় নেয়ার কোন বৈধ প্রথা নেই। এমন অভিযোগ অনেক ভুক্তভোগীর। এদিকে সাম্প্রতিক কালে প্রিপেইড কার্ডমিটার বাধ্যমূলক। নতুন বিধায় এ বিষয়ে অনেকেরই অভিজ্ঞতা নেই তেমন। বিকাশে টাকা ঢুকিয়ে গ্রাহকরা পড়েন বিপাকে । অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের ডেকে আনলে তাদেরকেও কিছু দিতেই হয়। মিটারে কার্ড দিলে বেশী টাকা কাটে এই অভিযোগ আছে। ট্রান্সমিটার বিকল , ফেইস খারাপ , তার সমস্যা , জোড়া তালি এইসব সমস্যা সব ফিডারে। দায়িত্ব প্রধানদের কাছে গ্রাহকদের অভিযোগ সহজে পৌছেনা। প্রকৌশলীরা থাকেন আমলাতান্ত্রিক আয়েশে। কি হলো না হলো , তাতে কি মাস গেলে বেতন আর সিস্টেমের বাড়তি আয় তারাতো পাবেনই। কর্মচারীরা পুরনো প্রথা থেকে বের হতে পারছেন না। এমনই বাস্তবতা ব্রাহ্মণবাড়িয়াও । পুরনো অনৈতিক প্রথা পরিবর্তন জরুরী বিধায় সংস্কার চলছে। তবে সেই সংস্কারের জন্য যার যার উপর অর্পন করা দায়িত্ব যথাযথ পালন , সেবামূলক মানসিকতা দরকার সবার মাঝে। দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে যা প্রাপ্তি তা তারা পাচ্ছেন। অনৈতিক বাড়তি আয়ের প্রথা ভুলে গেলে গ্রাহকরা স্বস্তি পাবে। এই সবই এখন স্বপ্নের বাংলাদেশ অপেক্ষায় থাকা এদেশের সর্স্তরের মানুষের।
…… আল আমীন শাহীন






















আপনার মন্তব্য লিখুন