শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর এখনই সময় – আমীর সোহেল
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: ২:২১ অপরাহ্ণ , ১২ ডিসেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
প্রকৃতির নিয়মে ঋতুর পালাবদলে আগমন ঘটে কনকনে হিমেল হাওয়াসহ শৈত্যপ্রবাহ। জনজীবনে এর বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয় ব্যাপক।বিশেষ করে গরিব- দুঃস্থ মানুষের জন্য ইহা আরো কষ্টের এবং দুর্বিষহ। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমরা বিত্তশালীরা পোশাক- পরিচ্ছেদে ব্যাপক পরিবর্তন করে ফেলি। কিন্তু হতদরিদ্র মানুষের পক্ষে ইহা সম্ভব হয় না।এই সময়ে কষ্টের জন্য শেষ নেই তাদের। অনেকের শীত নিবারনের জন্য সামান্য কাপড়টুকু নেই। তেমনি নেই তাদের প্রতি সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী শ্রেণীর মানুষর শীত বস্ত্র বিতরণ করে পাশে দাঁড়ানোর মন মানসিকতা। মানুষ হিসেবে তারা আরেক মানুষের কাছে সহানুভূতির দাবিদার, করুনার নয়। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সেই শ্রেষ্ঠ জীবেরই একটা অংশ গরীব ও অসহায় মানুষ। তারা সমাজের অবিচ্ছেদ অংশ। তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং সহানুভূতিশীল হওয়া আমাদের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ স্রষ্টার পক্ষ থেকে করোণার দাবিদার
অপর দিকে আল্লাহ তায়ালা করুনার দৃষ্টি দেন তাদের প্রতি, যারা অপরের দুঃখ দুর্দশায় সহযোগিতার হাত বাড়ান। প্রিয় নবী হযরত মুস্তফা (সা:) এরশাদ করেন -“যে মুসলমান অপর কোন মুসলমানকে বস্রহীন অবস্থায় বস্ত্র দান করবেন, আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে সবুজ বর্ণের পোশাক পরাবেন, খাদ্য দান করলে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন, পানি পান করালে জান্নাতের শরবত পান করাবেন।”( আবু দাউদ 1752) সুতরাং মানুষের দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মানসিকতা অনেক মহৎ ও পণ্যময় কাজ।মানব সেবার মতো পূণ্যময়ী কাজই সর্বোত্তম ইবাদত। শীতের আবহ অনেকের কাছে আনন্দের হলেও দেশের দরিদ্র শ্রেণীর জন্য অনেক কষ্টের। এছাড়া বিত্তমান মানুষেরা শীত বস্ত্র ব্যবহার করে শীতের আমেজ উপভোগ করলেও দরিদ্র মানুষেরা শীতবস্ত্রের অভাবে সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত করেন। তাদের নেই শীত নিবারনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। সুতরাং প্রত্যেক মানুষেরই উচিত শীতার্ত, গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষকে সামর্থ্য অনুযায়ী শীতবস্ত্র বিতরণ করে সহযোগিতা করা।
লেখক :আমীর সোহেল
email :amirkishor797@gmail.com






















আপনার মন্তব্য লিখুন