ধরা পড়েনি ইউপি সদস্য হত্যায় জড়িত আসামীরা,বিক্ষোভ মানববন্ধন
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: ৩:১৭ অপরাহ্ণ , ২৯ জুলাই ২০১৯, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 7 years আগেপ্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মেহারী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও যুবলীগ সাধারন সম্পাদক শওকত হোসেন জসিমের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাসির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। সোমবার সকালে জেলা শহরের হাসপাতাল রোডে প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন হয়। এতে এলাকার নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার কয়েক’শ মানুষ যোগ দেন। এরআগে তারা বিক্ষোভ করে সেখানে জড়ো হন। মানববন্ধনে কসবা উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাফরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম,মেহারী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি এস এম শামীম,সাবেক ইউপি সদস্য আবুল খায়ের,আবদুল্লাহ,নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার ও মেয়ে জিদনি আক্তার ও চাদনী আক্তার প্রমুখ। মানবন্ধনে বক্তারা বলেন খুনের সঙ্গে জড়িতরা নব্য আওয়ামীলীগ। তারা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত। তাদের এসব কাজে বাধা হওয়ায় জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি জসিমকে হত্যা করা হয়। হত্যার অন্যতম আসামী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন মুর্শিদ(৪২)কে নব্য আওয়ামীলীগার হিসেবে আখ্যায়িত করে মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন তার পুরো পরিবার বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বক্তারা এলাকার সংসদ সদস্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হকের কাছে অনুরোধ করেন এই মামলায় যাতে কোন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না হয়। পরে এলাকার নেতৃস্থানীয় লোকজন পুলিশ সুপারের সঙ্গে স্বাক্ষাত করে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করার দাবী জানান। উল্লেখ্য, গত ৫ ই জুলাই রাত সাড়ে ৯ টায় শওকত হোসেন জসিমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে এবং পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় যমুনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তালা দিয়ে ফেলে রাখা হয় তাকে । সেখান থেকে উদ্ধার করে কুমিল্লা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু হয় জসিমের। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই মো: আলা উদ্দিন বাদী হয়ে কসবা থানায় যমুনা গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন এবং তার ছোট ভাই মেহারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোশারফ হোসেন মুর্শিদসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীদের মধ্যে পুলিশ যমুনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী ইয়ানুরকে ছাড়া গত ২৪ দিনে আর কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। শওকত মৃত্যুর আগে হাসপাতালে মুর্শেদসহ কয়েকজনের নাম বলে যান। শওকতের জবানবন্দিমূলক একটি ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।






















আপনার মন্তব্য লিখুন