মরহুম ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম অবদানে স্মরণীয়……….. গুলশানুল হক সুমন
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: 1:28 pm , 12 June 2026, Friday , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে
ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিরাশার আশ্রয়স্থল
আজি হ’তে শত বর্ষ আগে!
স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদেরে শত অনুরাগে,
আজি হ’তে শত বর্ষ আগে।
একজন আদর্শ চিকিৎসক হলেন মানবতার সেবক যিনি অর্থকে গৌণ জ্ঞান করে চিকিৎসাকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর লক্ষ্য থাকে রোগীর শারীরিক ও মানসিক আরোগ্য নিশ্চিত করা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রেক্ষাপটে ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ছিলেন তারচেয়েও বেশিকিছু কারণ তিনি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর আর্থিক সামর্থ কে বিবেচনায় রাখতেন। চিকিৎসা সেবাই দক্ষতার পাশাপাশি মানবিকতা, সহানুভূতি, নৈতিকতা, সততা ও ধৈর্যশীলতার অসাধারণ গুণাবলিতে সমৃদ্ধ ছিলেন তিনি। এখনকার অনেক ডাক্তারের মতো রোগীকে লুটে নেওয়ার মানসিকতা ডাঃ রফিকুল ইসলামের ছিল না। টাকার অভাবে তাঁর কাছ থেকে কোন রোগী কখনোই বিনা চিকিৎসায় ফেরত যাননি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও আশেপাশের পুরনো বা স্থানীয় যারা আছেন তাদের অধিকাংশই ডাঃ রফিকুল ইসলাম কে এক নামে চিনতেন।
ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের পয়াগ (নরসিংসার) গ্রামে ১৯২৮ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গর্বিত বাবা-মা’র নাম যথাক্রমে সেকান্দর আলী মাস্টার ও সোনাজান বিবি। জন্মের পর তাঁর বাবা নাম রেখেছিলেন ধনমিয়া কিন্তু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্র তৎকালীন জর্জ স্কুলের (বর্তমান নিয়াজ মুহম্মদ) প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র পরিচালক আমিনুল হক হল পরিদর্শনের সময় তাঁর উত্তরপত্রে মুগ্ধ হয়ে তাঁর বাবার অনুমতিতে ধনমিয়া পরিবর্তন করে নতুন নাম রাখেন মোঃ রফিকুল ইসলাম।
ডাঃ রফিকুল ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষার শুরু তাঁর বাবার হাতে। পরে নরসিংসার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। তাঁর বাবা সেকান্দর আলী মাস্টার ছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। সপ্তম শ্রেণী থেকে মাধ্যমিক সম্পন্ন করা পর্যন্ত তিনি পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ঐতিহ্যবাহী অন্নদা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ডাঃ রফিকুল ইসলাম ব্রিটিশ পিরিয়ডে প্রচলিত লোয়ার প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষায় চিটাগাং ডিভিশনে প্রথম হন। অন্নদা উচ্চ বিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজ থেকে মাধ্যমিকে ও উচ্চ উচ্চমাধ্যমিকে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ঢাকা মেডিকেল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এমবিবিএস ও ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন ১৯৫৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরে আসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানবতার ডাক্তার খ্যাতি পাওয়া ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম সম্মানজনক সরকারি চাকরি ও ঢাকায় লাভজনক প্রাক্টিসের প্রলোভন ত্যাগ করে ১৯৫৯ সালে নিজ এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টি.এ রোডে রোগী প্রতি মাত্র দুই টাকা সম্মানিতে স্বাধীনভাবে চিকিৎসা সেবা শুরু করেন। যদিও তৎকালীন সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্যান্য এমবিবিএস গণ পাচ টাকা ফি নিতেন। সময়ের সঙ্গে ডাক্তারি ফি বাড়লেও চিকিৎসা ক্ষেত্রে মানবিকতা তিনি আজীবন লালন করে গেছেন।
বিভিন্ন শ্রেণীপেশা, জাতি-ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থানে গড়ে উঠেছে আমাদের সমাজব্যবস্থা। কিন্তু মহৎ পেশা হিসেবে চিকিৎসা পেশা কে বাংলাদেশের মানুষ সর্বদাই শ্রদ্ধার চোখে দেখে। এই মহান পেশাটিকে কলঙ্কিত করার এই যুগে আমার সৌভাগ্য হয়েছে ডাঃ রফিকুল ইসলাম কাকার মত সৎ ও আদর্শবান একজন ডাক্তারের স্নেহ, সান্নিধ্য এবং সেবা গ্রহনের। চিকিৎসা ক্ষেত্রে সেবা ও সহযোগিতার মনোভাবের পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষায় সহজ কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলা তাঁর রোগীদেরকে সর্বদাই মুগ্ধ করত।
ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম অন্তর থেকে বিশ্বাস করতেন চিকিৎসা পেশা কেবল জীবিকা নয় বরং মানব সেবার এক মহান মাধ্যম। টি.এ রোডে ডাক্তার কাকার চেম্বারটি ছিল গরিব রোগীদের ভরস্বাস্থল। চেম্বারে ঢুকলেই প্রথমেই চোখে পড়তো তাঁর হাসিমুখ। কঠিন অসুস্থতায় শারীরিক যন্ত্রণাবোধ করা রোগীরা তাঁর সাহস দেওয়া উপদেশ ও হাসিমুখ দেখে সহসাই মানসিক উপশম লাভ করতেন। তাঁর চিকিৎসার অন্যতম একটি দিক ছিল অপ্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা এড়িয়ে চলা। অত্যন্ত ব্যস্ত ডাক্তার হিসেবে প্রতিদিন শতাধিক রোগী দেখতেন কিন্তু ডাক্তারি ফিস কিংবা ঔষধ কোম্পানির ভিজিটে বিন্দুমাত্র কড়াকড়ি ছিল না এখনকার মত। বহু বৎসর পূর্বে আমি প্রত্যক্ষ করেছি ওঁনার চেম্বারে যখন তিনি ১০০ টাকা ভিজিট নিতেন, এক গরীব মহিলাকে ঔষধ লিখে প্রেসক্রিপশন দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ‘টাকা আছেনি গো’। মহিলা কাচুমাচু করে শাড়ির আঁচলের গিঁট থেকে একটি দশ টাকার নোট খুলে দিলেন। ডাক্তার কাকা এক পলক ১০ টাকার নোট টির দিকে তাকিয়ে রোগীকে জিজ্ঞেস করলেন বাড়ি যাওয়ার ‘রিক্সা ভাড়া আছে নি গো’ বলে নিজের কাছ থেকে আরও দশ টাকা মিলিয়ে বিশ টাকা মহিলাকে ফেরত দিয়ে বললেন আমার জন্য দোয়া কইর। এমনটি ছিল তাঁর চেম্বারে প্রতিদিনের ঘটনা। ১০০ টাকা ভিজিট লেখা থাকলেও রোগীরা যা-ই দিতেন রেখে দিতেন। এমন মানবিক ডাক্তার এখন তো বটেই সেই সময়ও ছিল বিরল।
মাঝে মাঝে আবার রাগান্বিত হতেও দেখেছি যখন অবস্থাপন্ন রোগীরা সুযোগ নিয়ে ভিজিট দিতে কৃপণতা করত। একবার পরিচিত এক স্থানীয় রোগীকে ধমক দিয়ে বলেছিলেন ‘তুমি কেন টাকা কম দেও, আমার খরচ লাগেন।’ আশে-পাশে পাড়া-প্রতিবেশী হোক ধনী বা গরিব চিকিৎসা ছিল ফ্রি। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির মত কাকাও নিজ হাতে বাজার করতে পছন্দ করতেন। অধিকাংশ সময় বাজারে যেতেন বাসা ও চেম্বারের সন্নিকটে অবস্থিত টি.এ রোড ফারুকি মার্কেটে। আমি একবার মোরগ কিনতে ফারুকী মার্কেট যাই রাতে। একটু পরে কাকা মুরগি কিনতে আসলে আমি সালাম দিয়ে একটু সরে দাঁড়ায়। বাজারের ব্যবসায়ীরা সবাই ছিলেন কাকার পরিচিত ও স্নেহের যারা তাঁকে পরম শ্রদ্ধায় গ্রহণ করতেন। মুরগি ব্যবসায়ীরাও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। চারটি স্বাস্থ্যবান মুরগি পছন্দ করার পর ব্যবসায়ীর অনুপস্থিতিতে তার কর্মচারী কাকাকে চিনতে না পেরে অতিরিক্ত দাম হাঁকাল। কাকা বললেন তোর মালিককে ডেকে আন, মালিক আসার পর তিনি বললেন ‘আমার কাছে যাইতেনা আবার।’😂 এই কথা বলে কাকা চলে যাচ্ছেন মুরগী না নিয়ে আর মুরগির মালিক কর্মচারীকে ধমক দিয়ে পিছনে মুরগি নিয়ে দৌড়াচ্ছে আর চিৎকার করছে স্যার ভুল হইছে, সে এক চমৎকার দৃশ্য।
প্রসার ও খ্যাতির চূড়ায় থেকেও নিরহংকার হওয়াটা এক বিরল ও মহৎ গুণ। চিকিৎসা পেশায় এমন অনেক মহৎ ব্যক্তিত্ব রয়েছেন যারা নিজেদের বিশাল জ্ঞানের ভান্ডার ও সাফল্যের পরেও অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপনের পাশাপাশি বিনয়ী আচরণের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাঃ রফিকুল ইসলাম ছিলেন তেমনি একজন। তাঁর সঙ্গে আমার বাবার সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বের, তাঁরা ছিলেন একই বয়সের। তাছাড়া আমার আব্বার চাচা আনোয়ারুল হক ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ওঁনার শিক্ষক। তারা পরষ্পরকে ভাইসাব বলে সম্বোধন করতেন। চেম্বারে অথবা বাসায় দেখা হলেই ডাক্তার কাকা আব্বাকে রসিকতা করে বলতেন, ভাইসাব আপনার চাচার জিগা গাছের ডালের বাড়ি অমাবস্যা-পূর্ণিমা আইলে এখনো ব্যথা হয়।
পারিবারিক ডাক্তার হওয়ায় ওঁনার চেম্বারে যাতায়াত ছিল নিয়মিত। আমি বহুবার দেখেছি কাকা প্রায়শ চেম্বারে আসতেন লুঙ্গি পরে। আম্মার অসুস্থতায় একবার বাসায় আনতে গেলে কাকা বললেন বাসায় গিয়ে লুঙ্গি পাল্টে আসতে দেরি হবে তুমি একটা রিক্সা নেও লুঙ্গি পরেই যাব। কাকা কুকুরকে খুব ভয় পেতেন, বলতেন, ছোট্ট একটা প্রাণী কিন্তু কামড় দিলে ১৪ টা ইনজেকশন ছাড়া কোন গত্যন্তর নাই। আমরা কুকুর পোষতাম এটি উনার জানা ছিল বাসায় আনতে গেলে প্রথমেই জিজ্ঞেস করতেন কুকুরটা সেকলে বেঁধে আসছি কিনা, বাসার গেইটের কাছে গিয়ে রিকশা থেকে না নেমে বলতেন আবার দেখে এসো কুকুর বাধা আছে কিনা।
স্বাস্থ্যসেবা কে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে না দেখে জনকল্যাণমূলক পেশা হিসেবে গ্রহণ করা ডাঃ রফিকুল ইসলাম প্রেসক্রিপশন লেখার সময় ঔষধের গুণগত মান নিয়ে কখনই কম্প্রোমাইজ করতেন না। তৎকালীন মাল্টিন্যাশন কোম্পানি Glaxo Smithkline, Fisons, Novartis ইত্যাদি থাকতো ওঁনার পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে। Zinnat, Ceporex, Fortum, Enocef, Rimactazid ইত্যাদি ঔষধ বেশি লিখতেন রোগের প্রকারভেদে। চিকিৎসার প্রয়োজনে একটু দামি ওষুধ লিখতে গেলে তিনি রোগীকে প্রশ্ন করতেন আর্থিক অবস্থা কেমন। আমার স্পষ্ট মনে আছে একবার আমার আব্বার ব্লাড ডিসেন্ট্রির পাশাপাশি প্রচন্ড পেটব্যথায় কাকাকে বাসায় নিয়ে আসলাম, কাকা অন্যান্য ঔষধের সঙ্গে ব্যাথা নাশক Buscopan ইনজেকশন প্রেসক্রিপশন করলেন। Buscopan বহুল প্রচলিত হওয়ায় মার্কেটে এটির কপি পাওয়া যেত সেই সময়ে, অরিজিনাল ইনজেকশনটি আসতো পাকিস্তান থেকে। কাকা আমাকে বললেন তুমি ছেলে মানুষ অরিজিনাল ইনজেকশন দেখে কিনতে পারবা না, আমাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে ফার্মেসি থেকে নিজ হাতে ঔষধটি কিনে দিয়েছিলেন। এমন দায়িত্বশীল চিকিৎসক এখন ভাবাই যায় না।
ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শত শত লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। আমাদের ছেলেবেলায় একটা শব্দ ছিল কম্পাউন্ডার। কম্পাউন্ডার শব্দটি শাব্দিক অর্থে ডাক্তারের সহকারি বোঝালেও সাধারণত ছোটখাটো কাটাছেড়ায় ব্যান্ডেজ বা সেলাই করা। চেম্বারে বা বাসায় গিয়ে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে ইনজেকশন দেওয়া, প্রেশার মাপা, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া ইত্যাদি ছিল কম্পাউন্ডারের কাজ। কাকার চেম্বারের কম্পাউন্ডার অনেকে আবার পল্লী চিকিৎসার ওপর ডিপ্লোমা করে ব্যাপক প্রসার করেছে ফার্মেসি ও পল্লী চিকিৎসায়। অনেকে এখনো গর্ব করে বলে আমি রফিকুল এমবির কম্পাউন্ডার ছিলাম। এমন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে যারা ডাঃ রফিকুল ইসলামকে এখনো দেবতা তুল্য সম্মানে স্মরণ ও প্রাণভরে দোয়া করে। এর চেয়ে বড় পাওয়া বা সম্মানের আর কি হতে পারে।
১৯৫৯ সালে ডাক্তারি পাস করার পর তিনি বিয়ে করেন সিলেটের কাজি টোলা’র বাসিন্দা আব্দুল আজিজ সাহেবের তৃতীয় কন্যা সাগিরা ইসলামকে। তাঁদের বিয়ে ছিল মা-বাবার পছন্দে পারিবারিকভাবে (অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ) ঠিক করা। এই দম্পতি আশরাফুল ইসলাম মেহবুব ও আশিকুল ইসলাম মেহেদী নামে আমেরিকা প্রবাসী দুই পুত্র সন্তানের গর্বিত মাতা-পিতা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিতৈষী এই মহানুভব মানুষটি ২০০৮ সালের ১২ ই ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাজারো মানুষকে শোক সাগরে ভাসিয়ে ইন্তেকাল করেন।
তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর বাসা ও চেম্বার সংলগ্ন রাস্তাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা ডাঃ রফিকুল ইসলাম সড়ক নামাকরণ করে তাঁকে সম্মানিত করেছে। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে প্রয়াত জনদরদী এই চিকিৎসকের জন্ম এবং মৃত্যু দিবস কোন প্রকার আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছাড়াই অবহেলায় কেটে যাচ্ছে প্রতি বৎসর। নেই কোন স্মৃতিচারণ, স্মরণসভা বা ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, যা খুবই বেদনাদার।
পরিশেষে কবিগুরুর কবিতার লাইন..
তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার
জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার..
লিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ করছি।
তথ্য কৃতজ্ঞতা-আশরাফুল ইসলাম Lonewolf King ছেলে
Haque Mesho নাতি






















আপনার মন্তব্য লিখুন