রক্তস্রোতে ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থান,বিশ্ব দখেল এক অন্য বাংলাদশে
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: ৫:১২ পূর্বাহ্ণ , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
নুসরাত জেরিন: একপক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তো অপরপক্ষে পুলিশ,বিজিবিসহ সরকার নিয়ন্ত্রতি বাহিনীর সঙ্গে সরকার দলীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো। একদিকে থেকে আত্মরর্ক্ষাথে শিক্ষার্থীদরে ইটপাটকলে ছোঁড়া তো অপরদকি থকেে গুল, টিয়িারশলে,কাদানো গ্যাস। গুলবিদ্ধি হয়ে হসপটিালে কাতরানো,মৃত্যুর কোলে ঢলে পরা,স্পট ডটে। পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয় ছাপয়িে তুখোড় আন্দোলনে প্রাইভটে বশ্বিবদ্যিালয়গুলো র্পযায়ক্রমে তা স্কুল কলজেে ছড়য়িে পর।েশক্ষর্িাথীদরে নয়িে অভভিাবক ও জনমনে আতঙ্ক।এছাড়াও আন্দোলন ছড়য়িে যায় প্রবাসী বাংলাদশেদিরে মাঝওে। পক্ষ-েবপিক্ষ-েসপক্ষে আলোচনার ঝড়। একর্পযায়ে পরস্থিতিি শীথলিরে নামে ইন্টারনটে ব্ল্যাকআউট,কারফউিজারি পরর্বতীতে মামলাও গণগ্রপ্তোর।
পশোজীব,বুদ্ধজিীব,সাংবাদকি,আম-জনতার স্ব-স্ব অবস্থান থকেে প্রতবিাদ,পুলশিরে গুলতিে মৃত্যুর মছিলি,পঙ্গুত্ব বরণ করা অসস্থশিীল বাংলাদশেে চোখ বশ্বি মডিয়িার।দশে ও প্রবাসরে মানুষ দখেছেে এক বভিীষকিাময় জুলাই যা আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নয়ে। রাস্তায় নমেে আসে দলমত নর্বিশিষেে র্সবস্থররে জনতা যার ফলে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় শখে হাসনিা সরকার। এই গণঅভ্যুত্থানরে নায়ক বষৈম্য বরিোধী ছাত্র আন্দোলন।
মূল ঘটনার সূত্রপাত এই বছররে পাঁচজুন বাংলাদশে সুপ্রমি র্কোটরে হাইর্কোট বভিাগ র্কতৃক ২০১৮ সালরে ৪ অক্টোবর বাংলাদশে সরকাররে কোটা পদ্ধতি সংস্কার নয়িে জারি করা পরপিত্রকে অবধৈ ঘোষণাকে ঘরি।ে হাইর্কোটরে এই ঘোষণাকে কন্দ্রে করে কোটা পদ্ধতরি সংস্কার আন্দোলন আবার নতুনভাবে আলোচনায় আস।ে এই রায় বাতলি চয়েে আন্দোলনে নামে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়সহ কয়কেটি পাব্লকি বশ্বিবদ্যিালয়রে শক্ষর্িাথীরা। তারা বাংলা ব্লকডে নামক র্কমসূচী ঘোষণা করে যার লক্ষ্য ছলিো কোটা পদ্ধতরি র্পূণবহাল না হওয়া কংিবা এই পদ্ধতরি সংস্কার করা। শুরুতে আন্দোলন সভা-সমাবশে ও বভিন্নি র্কমসূচীর মাঝে স্থরি থাকলওে বপিত্তি বাঁধে সদ্য সাবকে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা ১৪ জুলাই দওেয়া এক বক্তব্যে কোটা আন্দোলনকারীদরে “রাজাকাররে নাত-িপুত”ি হসিবেে মন্তব্য করার কারণ।ে এতে ফুঁসে উঠে বষৈম্য বরিোধী ছাত্রসমাজ,মধ্যরাতে ঢাকাবশ্বিবদ্যিালয়রে বভিন্নি হল থকেে ভসেে আসে “তুমি ক?ে আমি ক?ে রাজাকার, রাজাকার; কে বলছে?ে কে বলছে?ে স্বরৈাচার, স্বরৈাচার” এবং “চাইতে গলোম অধকিার; হয়ে গলোম রাজাকার”স্লোগান। মূলত প্রধানমন্ত্রীর করা মন্তব্যরে প্রতক্রিযি়া হসিবেে আন্দোলনকারী শক্ষর্িাথীরা ব্যঙ্গ আওয়াজ তুলে এই স্লোগান।ে মুর্হুতইে এই ঘটনা ছড়য়িে পরে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম।ে তবে এই ঘটনাটকিে ভালোভাবে নয়েনি সরকার। পররেদনি ১৫ জুলাই আওয়ামী লীগ ও সরকাররে বভিন্নি র্কমর্কতা, মন্ত্রী আন্দোলনকারী শক্ষর্িাথীদরে বরিুদ্ধে ‘মুক্তযিুদ্ধরে চতেনা’ নষ্ট করার অভযিোগ আননে। এই দনি দশেরে বভিন্নি স্থানে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগরে ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগরে নতেৃত্বে শক্ষর্িাথী ও আন্দোলনকারীদরে উপর রড, লাঠ,ি হকি স্টকি, রামদা, আগ্নযে়াস্ত্র নযি়ে হামলা করা হয়।একই সাথে পুলশিও লাঠ,ি রাবার বুলটে দযি়ে হামলা কর।ে প্রতবিাদে আন্দোলনকারীও তাদরে দকিে ইটরে টুকরা ছুড়ে ও উভয় পক্ষরে মধ্যে সংর্ঘষ বাঁধ।ে এসব হামলায় ১৬ জুলাই থকেে আন্দোলন তীব্র থকেে তীব্রতর হয়। এইদনিই
বগেম রোকযে়া বশ্বিবদ্যিালয়ে আবু সাঈদ পুলশিরে গুলতিে নহিত হয়, যইে মৃত্যুটি পুরো দশেকে নাড়য়িে দইে। তরতাজা একটি যুবক আন্দোলনরত অবস্থায় বুক পতেে দাড়য়িে আছে আর পুলশি একরে পর এক গুলি চালাচ্ছ,েঘটনাস্থলইে মৃত্যু নশ্চিতি হয় আবু সাঈদরে। ঠকি তখনই আন্দোলন স্ফুলঙ্গিরে মত পুরো দশেরে আনাচে কানাচে ছড়যি়ে পড়।ে তখন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগরে অনান্য সংগঠন, বিজিবি,র্ যাব, পুলশি দযি়ে ও ইন্টারনটে বন্ধ করওে আন্দোলন থামাতে র্কাযত র্ব্যথ হয় সরকার ফলে দশেজুড়ে কারফউি জারি করে এবং মাঠে সনোবাহনিী নামায়। তুলে নয়িে যাওয়া হয় প্রধান সমন্বয়কদরে দশেরে সামনে প্রর্দশীত হয় খাওয়ানোর নামে ডবিি নাটক ও জোরর্পূবক আন্দোলন প্রত্যাহাররে প্রসে রলিজি। তড়গিড়ি করে র্কোট বসয়িে ২১ জুলাই বাংলাদশে সুপ্রীম র্কোট, হাইর্কোটরে দওেয়া রায় বাতলি করে ও সরকারি চাকরতিে মধোর ভত্তিতিে ৯৩ শতাংশ নযি়োগ দওেয়ার নর্দিশে প্রদান কর।ে ২২ জুলাই এই বষিয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি কর।ে কন্তিু ততক্ষণে বাংলাদশে থকেে ঝড়ে যায় মীরমুগ্ধর মতো অনকে মধোবীর প্রাণ। মৃত্যুর পর ভাইরাল হওয়া পানি লাগবে পানি বলে মুগ্ধর আহ্বানরে ভডিওি দখেে চোখরে জল ফলেে সমগ্র দশে। তা নাড়য়িে দইে বশ্বিক।ে আন্দোলনকারী শক্ষর্িাথীদরে বস্কিুট ও পানি খাওয়াতে গয়িে গুলবিদ্ধি হয়ে মারা যায় নরিাপদ মুগ্ধ, তথ্যমতে মুগ্ধর মতো আরও প্রাণ হারায় ৬৭৩ জনরে অধকি। এইসব ঘটনায় কয়কে হাজার শক্ষর্িাথী ও আন্দোলনকারী পথচারী আহত হয়। কোন মামলা হবে না শক্ষর্িাথীদরে গ্রপ্তোর করা হবে না আশ্বাস দয়িওে পুলশি ৫০০ মামলা করে ১১,০০০-এর অধকি মানুষকে গ্রপ্তোর করে যার মধ্যে ছলিো অসংখ্য শক্ষর্িাথী ও শশিু। ভাইকে না পয়েে এইচএসসি পরীর্ক্ষাথী ছোট ভাইকে ধরে নয়িে যাওয়ার মত লজ্জাজনক ইতহিাস সৃষ্টি হয়। তাই আন্দোলনটি আর কৌটা সংস্কারে ক্ষান্ত হয়নি ৯ দফা ও পরর্বতীতে এক দফায় পৌঁছায় যার ফলে কোটাসংস্কাররে প্রজ্ঞাপন কোন কাজে আসনেি আর। ডবিি র্কাযালয়রে প্রহসন শষেে মুক্ত হয় সম্বয়করা। বাংলাদশেরে সৃষ্টি হয় নতুন ইতহিাস পুলশিরে ব্যারকিডে ভঙ্গেে শহীদ মনিার জনস্রোতে পরণিত হয় ততোক্ষণে ছাত্র আন্দোলনটকিে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রূপান্তরতি করে মাঠে নামে সলেব্রিটিসিহ সকল শ্রণেী পশোর মানুষ। শহীদ মনিার থকেে সম্বয়করা সরকার পতনরে এক দফার দাবী তুলে ও জুলাই শষে হয়নি ঘোষণা দয়িে ৬ তারখি(আগস্ট)ঢাকায় দশেরে মানুষকে র্মাচ করার র্কমসূচী দয়ে। পরর্বতীতে পুনরায় ইন্টারনটে ব্লকড ও কারফউি জারি করায় ৫ তারখিই র্মাচ করার আহ্বান জানান। ৪ তারখি থমথমে রাত পরেয়িে ঠকি ৫ তারখিই ঢাকা ও গণভবনরে উদ্দশ্যেে র্মাচ করে জনগণ। দুপুর নাগাদ ফরিে আসে ইন্টারনটে খবর আসে পদত্যাগ করে দশে ছড়েছেে স্বরৈাচার খতোবপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা। জুলাই জুড়ে চলা হত্যাকান্ড,রাজপথে রক্তরে উপর ভর করে ঘটে রক্তস্রোতে ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থান আর পৃথবিী দখেে এক অন্য বাংলাদশে। যইে বাংলাদশেে ছাত্র-জনতার বপ্লিবে অধকিার আদায়ে গণভবন দখল ও ছাত্ররা দশে সংস্কাররে দায়ত্বি নয়োর মতো সাহসী ইতহিাস যুক্ত হয়ছে।ে




























আপনার মন্তব্য লিখুন